Sale!

লাল চাল (গাঞ্জিয়া ধানের চাল)

Add your review

৳ 550.00৳ 2,200.00

ঢেঁকিছাটা লাল চালঃ
সুস্বাস্থ্যের এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গান্জিয়া ধানর লাল চালের অবদান অনস্বীকার্য। এই ধানের খোসা ফেলে দেবার পর চালের গায়ে যে লাল আবরণ থাকে তাতে সাধারণ সাদা  চালের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে খাদ্য আঁশ, খনিজ পুষ্টি এবং ভিটামিন পাওয়া যায়। এই ধান ঢেঁকিছাটা হওয়ার কারণে বাজারজাতকরণ সময় একটু বেশি লাগে তবে সাধারণ চালের মতো তীব্র প্রক্রিয়াজাতকরন এবং মসৃণকরণের মধ্য দিয়ে যেতে হয় না ফলে লাল চাল বেশি স্বাস্থ্যকর, বেশি পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ এবং সুস্বাদু। প্রতিদিন এক কাপ লাল চালের ভাত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ পর্যন্ত কমে।
ঢেঁকিছাটা লাল গান্জিয়া চালের উপকারিতাঃ
১/ হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
২/ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৩/ এই লাল চাল অদ্রবণীয় আঁশযুক্ত পূর্ণ শস্য হওয়ার কারণে পিত্তো থলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
৪/ হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে।
৫/ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৬/ দাঁত ও হাড়কে শক্ত, মজবুত রাখতে সহায়তা করে।
৭/ এই লাল চালে উপস্থিত আনথোসায়ানিন ত্বকের ভাঁজ কমায়, বয়স ধরে রাখে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়।
আরও অনেক গুনাগুন আছে।
SKU: GAINJARICE

৳ 550.00৳ 2,200.00

Clear
Add to wishlistAdded to wishlistRemoved from wishlist 0

একটি ধান জাতের সাথে মিশে থাকে হাজারো কৃষকের আবেগ, মিশে থাকে হাসি । বিশেষ করে যখন ধান জাতটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থেকে কৃষকের ফলন দেয় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে চাষকৃত্ সকল ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর জাতটি শেষ ভরসা হয়ে টিকে থাকে। বলছি গাঞ্জিয়া নামের ধান জাতটির কথা। বেসরকারি সংস্থা ঊবিনীস বলছে, এ দেশের ভৌগোলিক পরিবেশ ভেদে এত বৈচিত্র্যময় ধান হতো যে এর সবগুলোর হদিস পাওয়া এখন কঠিন । এর মধ্যে একটি চিলমারির গাঞ্জিয়া ধান । এ জাতের ধান পূর্ব বগুড়ার ( ব্রহ্মপুত্র নদের পলি জমিতে ) যমুনা নদীর চর- সারিয়াকান্দি, সোনাতলা , ধুনট ও গাইবান্ধা এলাকায় চাষ হচ্ছে । বন্যা পরবর্তী সময়ে ঊফশী জাতের ধানের চাষের সময় থাকে না বিধায় গাবতলী, শাহজাহানপুর, শেরপুর উপজেলার নিচু এলাকায় কিছু গাঞ্জিয়া ধানের চাষ হয়ে থাকে। প্রতিবছর হাজার হাজার বিঘা জমির ধান বন্যার কারণে কখনো চারা অবস্থায়, কখনো থোর অবস্থায় আবার কখনো পরিপক্ব অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায় । ধান থোর বা পরিপক্ব হওয়ার সময় যদি বন্যায় নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আশ্বিন-কার্তিক মাসে সাধারণত আর আমন ধান রোপনের সময় থাকে না । ঠিক সেই সময়ে গাঞ্জিয়া রোপন করেন কৃষকেরা শেষ ভরসা হিসেবে । এ ধানের কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে ।

গাঞ্জিয়া ধানের বৈশিষ্ট্য সমূহঃ

১/ গাঞ্জিয়া জাতের ধান হতে সময় কম লাগায় তাড়াতাড়ি ঘরে আসে ।

২/ এ ধানের চাষে কোন সার এমনকি জৈব সার ও লাগে না ।

৩/ এ প্রকার ধানে নিড়ানীর প্রয়োজন নেই ।

৪/ এ জাতের ধান চিকন হওয়ায় বাজার ভাল ।

৫/ এ জাতের ধানের স্বাদ ও গন্ধ এতো অপূর্ব  যে , গৃহস্থের বাড়ীর অনেকেই লবণ দিয়েই এক থালা ভাত  খেয়ে ফেলেন ।

৬/ গাঞ্জিয়া ধান থেকে খোসা ফেলে দেয়ার পর চালের গায়ে যে লাল আবরণ থাকে তাতে সাধারণ সাদা  চালের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে খাদ্য আঁশ খনিজ , পুষ্টি এবং ভিটামিন  থাকে ।

৭/ গাঞ্জিয়া ধান বাজারজাতকরণ এর সময় তীব্র প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং মসৃণকরণের মধ্য দিয়ে যেতে হয় না ।

বগুড়া জেলায় ৭-৮ বছরে আমন ধানের জাতের রূপান্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বগুড়া এর পরিসংখ্যান মোতাবেক দেখা যাচ্ছে যে, উচ্চ ফলনশীল চিকন ধানের আবাদ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

২০১২-১৩ অর্থ বছরের তুলনায় ২০২০-২১ অর্থ বছরে চিকন ধানের আবাদ ব্রি ধান-৪৯ বৃদ্ধি পেয়েছে ১২%, স্বর্ণা বৃদ্ধি পেয়েছে ৬০%, রনজিত বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৬%, কাটাড়ীভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে ১০০% । এ ধানের চাল থেকে পিঠা তৈরির জন্য চালের গুড়া, খই ও চিড়া তৈরি করা যায় কিন্তু চাল চিকন হওয়ার কারণে মুড়ি ভাল হয় না ।

গাঞ্জিয়া চাল কেন খাবেনঃ

১/ গাঞ্জিয়া চাল বা লাল চালে রয়েছে ফাইটিক এসিড , ফাইবার এবং এসেনসিয়াল পলিফেনলস যা আমাদের দেহের সুগারের নিঃসরণ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে । প্রতিদিন এক কাপ লাল চালের ভাত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ পর্যন্ত কমে ।

২/ গাঞ্জিয়া চাল ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ । যা আমাদের দাঁত ও হাড়কে শক্ত, মজবুত ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করে ।

৪/ গাঞ্জিয়া ঢেঁকি চটা চালে আছে সেলেনিয়াম নামের একটি উপাদান  যা

হাইপারটেনশন এবং অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং রক্তের শিরা উপশিরাগুলোতে কোন ধরনের ব্লক তৈরি হতে দেয় না ।

৫/ গাঞ্জিয়া চালে আঁশ থাকার কারণে হজম প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করে তোলে ।

৬/ গাঞ্জিয়া চালে ম্যাঙ্গানিজ ও ফসফরাস থাকে যা দেহের চর্বী সংশ্লেষণ এবং স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এর ফলে আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে ।

৭/ এটি উচ্চ আঁশযুক্ত উপাদান দারা গঠিত বলে পেট দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখে এবং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে বিরত রাখে ।

৮/ লাল চাল খেলে মেটাবলিক সিন্ড্রোম সৃষ্টির ঝুঁকি কমে ।

৯/ গাঞ্জিয়া চালে যে তেল আছে তা এল ডি এল চর্বী ব্যাপক ভাবে কমিয়ে আনে ।

১০/ গাঞ্জিয়া চালে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম আমাদের শরীরের কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন কে শওকটক্তিতে রূপান্তর করে যা আমাদের শরীরের ষোক্টী বাড়ায় ।

১১/ গাঞ্জিয়া চাল অদ্রবণীয় আঁশ যুক্ত পূর্ণ শস্য হওয়ার কারণে পিত্তে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে ।

১২/ গাঞ্জিয়া চালে উপস্থিত আনথোসায়ানিন ত্বকের ভাঁজ কমায় , বয়স ধরে রাখে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় ।

১৩/ এন্টিঅক্সিডেণ্ট বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে লাল চাল সূর্যালোকের ক্ষতিকর আলট্রা  ভায়োলেট  রশ্মি  থেকে তক রক্ষা করে । এটা ত্বকের ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে ও অন্যান্য ত্বকের রোগ যেমন   সরিয়াসিস প্রতিরোধ করে ।

১৪/ গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়ের জন্য লাল চাল স্বাস্থ্যকর ।

সতর্কতাঃ 

কিছু কিছু গবেষণাতে এটা প্রমাণিত যে, লাল চালে স্বল্পমাত্রায় ফাইটিক এসিড আছে যা অন্ত্রে লোহা বা আয়রন ও ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দেয়, ফলে লাল চালের ভাতের সঙ্গে যদি এমন খাবার খাওয়া হয় যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও আয়রন থাকে তবে এ সমস্যা হতে পারে, তাই লাল চালের ভাত খাওয়ার সময় অধিক আয়রন ও ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো ।

 

Specification: লাল চাল (গাঞ্জিয়া ধানের চাল)

weight 5kg, 10kg, 20kg

User Reviews

0.0 out of 5
0
0
0
0
0
Write a review

There are no reviews yet.

Be the first to review “লাল চাল (গাঞ্জিয়া ধানের চাল)”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লাল চাল (গাঞ্জিয়া ধানের চাল)
লাল চাল (গাঞ্জিয়া ধানের চাল)

৳ 550.00৳ 2,200.00

Sobar Dorkar
Logo
Enable registration in settings - general