Sale!

Regular Green Tea

Add your review

৳ 65.00৳ 300.00

শরীর ও মনকে সজীব করতে এক কাপ চা এর জুড়ি নেই। আর সেটা যদি হয় গ্রীন টি বা সবুজ চা তাহলে সেটার তো কথাই নেই। বর্তমানে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে” গ্রিন টি”।

গ্রীন টি কেন খাবেনঃ

  •  ওজন কমাতে.
  • পানিশূন্যতা.
  • হার্ট অ্যাটাক.
  • কোলেস্টোরেল.
  • ডায়াবেটিস.
  • দাঁতের ক্ষয়রোধ.
  • স্কিনকে রক্ষা.
  • সর্দি কাশি.
  • রক্তজমাট বাধা, স্ট্রোক হওয়াকে রোধ করে।

*** গ্রীন টি বা সবুজ চা চিনি ছাড়া খাওয়া উচিৎ। মিষ্টি ছাড়া ভাল না লাগলে মধু দিয়ে খেতে পারেন।***

 

 

 

SKU: GREENTEAREGULAR

৳ 65.00৳ 300.00

Clear
Add to wishlistAdded to wishlistRemoved from wishlist 0

শরীর ও মনকে সজীব করতে এক কাপ চা এর জুড়ি নেই। আর সেটা যদি হয় গ্রীন টি বা সবুজ চা তাহলে সেটার তো কথাই নেই। বর্তমানে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে” গ্রিন টি”।

চার হাজার বছর পূর্বে চীনে মাথা-ব্যাথার-ঔষধ হিসেবে এর ব্যবহার শুরু হলেও সময়ের ব্যবধানে সারাবিশ্বের ব্যাপক প্রচলন শুরু হয়। গ্রিন টি এর নানাবিধ গুণাবলীর কারণে এর জনপ্রিয়তা এবং প্রচলন বাড়ছে আমাদের দেশে।

গ্রিন টি  জাপানে “Anti-ageing drinks” হিসেবে প্রতিদিন পালন করেন জাপানিরা। গ্রীন টি বা সবুজ চা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ১৯৯৪সালে” জার্নাল অফ দ্য ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট” থেকে প্রকাশিত জার্নালে বলা হয, সবুজ  চা পানে ৬০%  ক্যান্সার (ইসোফেজিয়াল) দূর করা সম্ভব হয়েছে চীনাদের ক্ষেত্রে। university  of purdue এর গবেষকরা আবিষ্কার করেন সবুজ চা ক্যান্সার কোষ প্রজনন প্রতিরোধ করে। আরো কিছু গবেষণায় জানা যায়,সবুজ চা শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। সবুজ চায়ের কারিশমা টা হলো এর একটি উপাদান epigallocatechi nallate(EGCG)যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। (EGCG) কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই শরীরের ক্যান্সার কোষ প্রজনন ক্ষমতা একদম নষ্ট করে ফেলে।

প্রক্রিয়াজাতকরণঃ

চা প্রক্রিয়াজাতকরণের সবচেয়ে প্রাচীন চীনা পদ্ধতি ছিল তাজা চা পাতাকে ভাপে দেয়া এবং তাকে সংরক্ষণ এর জন্য শুকানো। এই পদ্ধতিতে হান সম্রাজ্য এর শেষের দিকে চা তৈরি হত এবং এই পদ্ধতিতে তৈরি শুকনা চা পাতাকে আজকের দিনে “সবুজ চা” বা “গ্রিন টি” বলা হয়। খাওয়ার জন্য শুকনা চা পাতা হয় পানিতে অন্যান্য ভেষজের সাথে সিদ্ধ করে পান করা হত, অথবা, গুড়ো করে সরাসরি খাওয়া হত।

আমরা দুই ধরনের গ্রীন টি বা সবুজ চা নিয়ে আলোচনা করবো ১/ Green tea regular/normal (কাটিং প্রসেস) ২/ Special Green tea (সম্পূর্ণ পাতা)। গ্রিন টি-এর প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে সাধারণত চা বাগান থেকে দুটি পাতা একটি কুঁড়ি সংগ্রহ করা হয়।

১/ Green tea regular (কাটিং প্রসেস):-

এখানে গ্রীন টি রেগুলার এর সাথে কালো চাএর পার্থক্য ও উপকার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

সাধারণ চা ও গ্রীন টিতে পার্থক্য কী? গ্রীন টি কীভাবে বেশি উপকারি ?

Green tea আর সাধারণ চা এর মধ্যে স্বাদের পার্থক্য রয়েছে,গ্রিন টি তে Caffeine এর পরিমাণ কম আর সাধারণ চাতে ক্যাফেইন এর পরিমাণ বেশি থাকে এবং সাধারণ চা এ কিছু পরিমাণ Antioxidant রয়েছে কিন্তু গ্রিন টি তে খুব ভালো পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি।বর্তমানে গ্রীন টি বিশ্বব্যাপী অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে কারণ স্বাস্থের উপর এর অনেক উপকারী ভুমিকা রয়েছে।গ্রিন টি ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমায় এতে উপস্থিত এন্টি অক্সিডেন্ট ভিটামিন সি থেকে ১০০ গুন এবং Vitamin E থেকে ২৪ গুনে বেশি কার্যকরী যা শরীরের কোষ গুলো কে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে বাঁচায় বলে বিশ্বাস করা হয়।

গ্রীন টি কেন খাবেনঃ

১। গ্রীন টি পানে ওজন কমাতে খুব-ই উপকারী। হজমে সহায়তা করে।

২। গ্রীন টি পান করা কিডনি রোগের জন্য উপকারী। পানিশূন্যতা রোধ করে।

৩। গ্রীন টি পানে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। রক্তের প্রবাহ ভালো হয় এবং ধমনী শিথিল হয়।

৪। গ্রীন টি পানে রক্তে কোলেস্টোরেলের মাত্রা কমায়।

৫। গ্রীন টি পান করা ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী।

৬। এর লিকার দাঁতের ক্ষয়রোধ ও মাড়ি শক্ত করে।

৭। কাটা জায়গায় গ্রিন টির লিকার লাগালে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।

৮।এই চা নিয়মিত পানে ক্ষতিকর আল্ট্রা-ভিওলেট রশ্মী থেকে স্কিনকে রক্ষা করে।

৯। গ্রীন টি এন্টি-এজিং ক্ষমতা সম্পন্ন ।

১০। পোকামাকড় কামড়ালে যদি ওই স্থান চুলকায় ও ফুলে যায় তাহলে সবুজ চায়ের পাতা দিয়ে ঢেকে দিলে আরাম বোধ হয়।

১১। গ্রীন টির ভিটামিন সি সর্দি কাশি প্রতিরোধ করে।

১২।এটা নিয়মিত গ্রহণে ব্রন প্রতিরোধ করে।

১৩। গ্রীন টি পানে ইমিউন সিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করে৷ তবে এই চা নিয়মিত পান করতে হবে৷  গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, বি, বি৫, ডি, ই, সি, ই, এইচ সেলেনিয়াম, ক্রোমিয়াম, জিংক, ক্যাফেইন ও মেঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ছাড়াও বিভিন্ন মিনারেল যা প্রতিটি মানুষের শরীরেই প্রয়োজন ৷

১৪। এনজিওটেনসিন নামক যে উপাদানটি হাই প্রেশারের জন্য দায়ী, গ্রীন টি তা নিয়ন্ত্রন করে প্রেশার নিয়ন্ত্রনে রাখে।

১৫। গ্রীন টি পানে মেটাবলিসম বাড়িয়ে ফ্যাট বার্নে সহায়তা করা। অর্থাৎ ওজন কমায়। একদিনে গ্রীন টি ৭০ ক্যালরি বার্নে সহায়তা করে যা প্রায় ২০ মিনিট হাটার সমান ক্যালরি।

১৬। গ্রীন টি ফ্যাট সেল গুলোতে গ্লুকোজ ঢোকা বন্ধ করে দেয়। সুতরাং কারো যদি খাদ্যাভাস ও লাইফস্টাইল হেলদি হয় ও নিয়মিত গ্রীন টি গ্রহণ করে, তবে মেদ বৃদ্ধি হবেনা।

১৭। এতে থাকা কিছু ভিটামিন ক্ষতস্থানের অস্বাভাবিক রক্তজমাট বাধা কে প্রতিরোধ করে।

১৮। গ্রীন টি পানে মেটাবলিসম বাড়িয়ে রক্তে আকস্মিক গ্লুকোজ বেড়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রন করে। এর ফলে ডায়বেটিস রোগীদের অবস্থার উন্নতি ঘটে।

১৯। গ্রীন টির একটি এমাইনো এসিড স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এ ভূমিকা রাখে।

২০। গ্রীন টি তে থাকে ক্যাটেচিন ফুড পয়জনিং এর জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং এই ব্যাকটেরিয়া হতে জাত টক্সিন কে নষ্ট করে দেয়।

২১। সবুজ চা নিয়মিত গ্রহণে ব্রন প্রতিরোধ করে।

২২। নিয়মিত এই চা পান করলে রক্ত জমাট বেধে স্ট্রোক হওয়াকে রোধ করে।

২৩। গ্রীন টির পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সাধারণ ভাইরাল ও ব্যকটেরিয়াল ডিজিজ গুলো প্রতিরোধ করে।

২৪। গ্রীন টির epigallocatechin-3-gallate (EGCG) এলার্জি নিরাময়ে সহায়তা করে।

২৫। গ্রীন টির থিওফাইলিন শ্বাসতন্ত্রের মাসল কে রিল্যাক্স করে এজমার অবস্থার উন্নতি ঘটায়।

২৬। প্রাচীন চীনে কানের ইনফেকশন এর চিকিৎসায় গ্রীন টি দিয়ে তুলো ভিজিয়ে কান পরিষ্কার করা হতো।

২৭। হার্পিস এর চিকিৎসায় যে ক্রীম (ইন্টারফেরন) ব্যবহৃত হয়, গ্রীন টি তার কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর জন্য আগে স্থানটি গ্রীন টি দিয়ে ধুয়ে এরপর ক্রীম লাগাতে হবে।

২৮। জাপানের একটি গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে গ্রীন টির epigallocatechin-3-gallate (EGCG), সুস্থ্য কোষের সঙ্গে HIV এর সংযোজন ব্যহত করে। ফলে AIDS এর মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়। এছাড়াও গ্রীন টি এনার্জি ও স্ট্যামিনা বাড়ায়।

*** গ্রীন টি বা সবুজ চা চিনি ছাড়া খাওয়া উচিৎ। মিষ্টি ছাড়া ভাল না লাগলে মধু দিয়ে খেতে পারেন।***

গ্রীন টি খাওয়ার উপযুক্ত সময় সকাল (১০-১১) টা মধ্য বা সন্ধ্যা বেলা। আবার গ্রীন টী ক্যালরী কমাতে সাহায্য করে তাই খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা পর খাওয়া উপযোগী। এক কাপ গ্রিন টিতে ক্যাফেইন থাকে ১০০ মিলিগ্রাম। তাই প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ কাপ গ্রিন টি পান করা যেতে পারে। তবে, অতিরিক্ত গ্রিন টি সেবনে ক্যাফেইনের কিছু ক্ষতিকর প্রভাব দেখা দিতে পারে। যেমন- ক্ষুধামন্দা ও কোষ্ঠকাঠিন্য, কিডনি ও লিভার এ মারাক্ত প্রভাব পড়তে পারে ইত্যাদি।

 

Specification: Regular Green Tea

Weight 50g, 100g, 200g, 250g, 500g
Dimensions
Weight N/A

User Reviews

0.0 out of 5
0
0
0
0
0
Write a review

There are no reviews yet.

Be the first to review “Regular Green Tea”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Regular Green Tea

৳ 65.00৳ 300.00

Sobar Dorkar
Logo
Enable registration in settings - general